হাম (Measles) এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা: লক্ষণ, কারণ ও কার্যকর প্রতিকার গাইড 2026
হাম (Measles) রোগের লক্ষণ, কারণ এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাপদ ও কার্যকর প্রতিকার পেতে পড়ুন সম্পূর্ণ গাইড।
হাম (Measles) রোগের লক্ষণ, কারণ এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। প্রাকৃতিক উপায়ে নিরাপদ ও কার্যকর প্রতিকার পেতে পড়ুন সম্পূর্ণ গাইড।
শ্বস-প্রশ্বাসের পথ আক্রান্ত হয়ে ঐ স্থানের প্রদাহজনিত জ্বর অর্থাৎ সর্দির লক্ষণসহ জ্বরকে সর্দি জ্বর বলে।
টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড জ্বর হলো এন্টারিক ফিভার নামক সংক্রমণজনিত রোগের দুটি ধরন। এ রোগের মূল কারণ হলো Salmonella Typhi এবং Salmonella Paratyphi নামক ব্যাকটেরিয়া। সাধারণত দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে এই জীবাণু মানবদেহে প্রবেশ করে এবং রক্তস্রোতে ছড়িয়ে পড়ে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, যেখানে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা দুর্বল, সেখানে এ রোগের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
হুপিং কাশি (Whooping Cough) এর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা হুপিং কাশি (Whooping Cough) শিশুদের হুপিং কাশি এক মারাত্মক ব্যাধি। হুপিং কাশি সব বয়সের লোকেদের হতে পারে, তবে শতকরা ৯০ ভাগ আক্রান্ত রোগীই ৫ বছরের ভেতরের শিশু। হুপিং কাশি সাংঘাতিক রকমের সংক্রামিত অসুখ। শুকনো কাশি, দম আটকানো কাশির প্রকোপ—যেন চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসবে। কাশির শেষ হয় হুপের টানে (Deep Inspiration with
এটি খুব ভয়ানক রোগ। দেহের কোন অংশ কেটে, হেজে বা ফেটে গেলে সেই স্থান দিয়ে Staphylococcus ও Streptococcus প্রভৃতি বীজাণু প্রবেশ করে এবং তার ফলে এই রোগ হয়।
ডেঙ্গু ভাইরাস নামে এক জাতের ভাইরাস এই রোগের কারণ। এক ধরনের মশা এই রোগের বীজাণু বহন করে বলে জানা যায়। সব দেশে, সব বাড়িতে সব অবস্থাতেই এই রোগ হওয়া সম্ভব। ভারতেও মাঝে মাঝেই এই জ্বর হতে দেখা যায়।
ক ধরনের ভাইরাস জাতীয় বীজাণু থেকে এই রোগ হয়। প্রধানত: শিশুদের মধ্যে এই রোগ বেশি হয়ে থাকে। 3-4 বছর বয়স থেকে 15-20 বছর পর্যন্ত শিশু ও কিশোরদের এটি বেশি হয়।